Após a morte inesperada de Su Yao, ela acabou atravessando para outro mundo. Quando Su Yao começou a imaginar inúmeros cenários de romances, pronta para mostrar suas habilidades, percebeu que não havi
সু ইয়াও তার শরীরটা একটু টানটান করে নিল, অবশেষে ওভারটাইম কাজ শেষ করে সে বাড়ি ফিরে বিশ্রাম নিতে পারবে। সু ইয়াও কম্পিউটার বন্ধ করে ব্যাগটা পিঠে নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিল।
সু ইয়াও একা একাই বাড়ি ফিরছিল। হঠাৎ মাথার ওপর একটা শব্দ শুনতে পেয়ে সে মাথা তুলে তাকাল, আর তার পরেই চোখের সামনে সবকিছু অন্ধকার হয়ে গেল। একটা ফুলের টব এসে সরাসরি সু ইয়াওয়ের মাথায় পড়ল।
জ্ঞান হারানোর ঠিক আগে সু ইয়াও শুধু ভাবছিল: কোন অসভ্য লোক এই কাজ করল! এত ওপর থেকে নিচে জিনিসপত্র ফেলা তো আইনত অপরাধ।
সু ইয়াও মাথায় তীব্র যন্ত্রণা অনুভব করল। সে চোখ খোলার চেষ্টা করল, আর চোখ মেলতেই তার নজরে পড়ল বিশাল লোহার শিকল। সে কি তবে নরকে চলে এসেছে?
তা কেমন করে হয়! সু ইয়াও তো ছিল এক অতি সাধারণ চাকুরিজীবী, যে সবসময় সততার সাথে নিজের কাজটুকু করে গেছে। সে তো এমন কোনো মহাপাপ করেনি যে তার এই দশা হবে।
সু ইয়াও মাথাটা একটু নাড়ল যাতে তার চেতনা ফিরে আসে, আর অবশেষে সে চারপাশের পরিস্থিতি স্পষ্ট দেখতে পেল। সে একটি স্তম্ভের ওপর আটকে আছে, যার চারপাশ বড় বড় লোহার শিকলে ঘেরা। নিচে লাল রঙের জলের একটি জলাশয়, আর ওপরের দিকে একগুচ্ছ অদ্ভুত আর দুর্বোধ্য মন্ত্রপূত প্রতীক ঝুলছে।
সে কি মরেনি? তবে কি তার পুনর্জন্ম হয়েছে? কিন্তু এই পরিস্থিতি তো অত্যন্ত অদ্ভুত এবং রহস্যময়। সে কি কোনো রাক্ষসের হাতে বন্দী হওয়া রাজকুমারী?
সু ইয়াও মাথা নিচু করে নিজের শরীরের অবস্থা দেখতে চাইল।
কোনো শরীরই যে নেই!
"আহ্..." একটি তীক্ষ্ণ চিৎকার প্রতিধ্বনিত হলো।
শূন্য পাথরের ঘরে সেই আওয়াজ ঘুরে ঘুরে ফিরে আসতে লাগল।
চিৎকার থামানোর পর সু ইয়াও অবশেষে বুঝতে পারল যে, তার শরীরটি আসলে একটি তরবারি—একটি কুচকুচে কালো তলোয়ার। তলোয়ারের গায়ে অদ্ভুত সব নকশা খোদাই করা আছে, যার অর্থ সু ইয়াও বুঝতে পারল না। সু ইয়াও নিজে