মায়ের জন্য, সু চিংহে অসীম পরিশ্রম করে ঝু শুই গ্রহ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ অর্জন করেছিলেন। কিন্তু ভাগ্যের অদ্ভুত পরিহাসে, তিনি ভাবেননি যে এই বিদায় মায়ের নয়, বরং তার নিজের জন্য হবে। এবার শুরু হচ্ছে ক
লেখকের কথা—
প্রায় এক মাস দেরিতে, অবশেষে কাহিনির নতুন অধ্যায় শুরু হলো। এই উপাখ্যানটি, যদিও নামের সঙ্গে পূর্বের গল্পের মিল থাকলেও, প্রকৃতপক্ষে মূল কাহিনির সঙ্গে বিশেষ সংযোগহীন। একে আলাদাভাবে দেখলেই যথেষ্ট।
প্রতিদিন সন্ধ্যা সাতটার দিকে নিয়মিত নতুন অংশ প্রকাশিত হবে। সবাইকে স্বাগতম, আশা করি আপনারা এই যাত্রায় সঙ্গ দেবেন, উৎসাহ ও সমর্থন জানাবেন!
সু চিংহে অনুভব করছিল, তার কল্পনাশক্তি ক্রমেই চরম পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে। ভাবছিল, সে কি সত্যিই মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে বলেই এত ভয়াবহ হ্যালুসিনেশনে ভুগছে? শোনা যায়, মানুষ যখন মৃত্যুর একেবারে সম্মুখে এসে পৌঁছায়, তখন তার জীবনের সমস্ত স্মৃতি ঝলকে ঝলকে চোখের সামনে ভেসে ওঠে— এমনকি বহুদিন আগে বিস্মৃত ঘটনাও ধাপে ধাপে মনে পড়ে যায়, এমনকি কেউ কেউ নাকি মৃত্যুর আগমুহূর্তে পূর্বজন্মের স্মৃতিও ঝাপসা ভাবে মনে করতে পারে।
কিন্তু, তার নিজের এই জীবন কি খুব সংক্ষিপ্ত নয়? মনে মনে কিছুটা বিষণ্ণ হয়ে ভাবল সে। তার সামনে ভেসে ওঠা এই বিচিত্র স্মৃতিগুলোর নব্বই শতাংশই যেন তার নিজের নয়! তবে কি সে কোনো একসময় স্মৃতিভ্রংশে ভুগেছিল? কিন্তু স্মৃতিভ্রংশ হলেও এত অদ্ভুত অস্বাভাবিকতা কি সম্ভব? নাকি সে সত্যিই তার পূর্বজন্মের স্মৃতি ফিরে পাচ্ছে? কিন্তু মনে হচ্ছে শুধু আগের জন্ম নয়, তার আগেরও জন্ম, আরও আগের জন্ম, আরও... আরেক জন্ম...
সু চিংহে হিসেব কষে দেখল, বারো বছর বয়সের জন্মদিনের পর থেকে এই এক মাসে, সে যেন দশটি জীবন পার করে ফেলেছে।
দশটি জীবন— এ কেমন ধারণা! হ্যাঁ, ভুল নয়, সু চিংহে মাত্র বারো বছর বয়সী, জন্মদিন পেরিয়েছে এক মাস আগে মাত্র।
বর্তমানে মানবজাতির গড় আয়ু পাঁচশো বছর; সে হিসেবে বারো বছর বয়স তো শিশু বলারও যোগ্য নয়, বরং একেবারে কোলের শিশু বলা চলে। ভাবুন তো, একটি শিশুর ক্ষুদ্র মস্তিষ্কে যদি দশটি জীবনের স্মৃতি জমা হয়, কিংবা বলা যা